সামরিক জাদুঘর: বাংলাদেশের সামরিক ঐতিহ্যের এক অনন্য সাক্ষী
বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী সামরিক জাদুঘর
সামরিক জাদুঘর (Military Museum) বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর গৌরবময় ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের এক অনন্য তথ্যভাণ্ডার। এক সময় এটির নাম ছিল বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর (Bangladesh Military Museum)।
জাদুঘরটি ঢাকার বিজয় সরণির পাশেই নভোথিয়েটারের পশ্চিম দিকে ১০ একর জমির ওপর স্থাপিত। স্বাধীনতার পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে ব্যবহৃত সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন সরঞ্জামাদি এখানে প্রদর্শিত হয়েছে।
জাদুঘরটি ছয়টি পৃথক অংশে বিভক্ত, যেখানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর জন্য নির্ধারিত গ্যালারিগুলো রয়েছে। প্রতিটি বাহিনীর গ্যালারিতে তাদের আলাদা কর্নারও রয়েছে।
প্রদর্শনীর বৈচিত্র্য
এখানে প্রদর্শিত হয়েছে প্রাচীন অটোমানদের ঢাল-তলোয়ার, যুদ্ধজাহাজের মডেল, নবাব সিরাজউদ্দৌলার পলাশীর যুদ্ধের ইতিহাস, ভাষা আন্দোলনের চিত্র, মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব এবং জাতির সংগ্রাম ও অর্জনের কাহিনি। প্রতিটি প্রদর্শনী অতি যত্নের সঙ্গে সাজানো হয়েছে।
সাধারণত বাংলাদেশের অন্যান্য জাদুঘরের গতানুগতিক প্রদর্শনীর ধারণা থেকে আলাদা এই জাদুঘর। এখানে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
স্থাপত্য ও পরিবেশ
জাদুঘর কমপ্লেক্সের স্থাপত্যশৈলী মনোমুগ্ধকর। প্রবেশ পথে ঝরনার দৃশ্য এবং বাইরের সবুজ উদ্যান একে আরও দৃষ্টিনন্দন করেছে। এটি কেবল একটি জাদুঘর নয়, বরং একটি চমৎকার ভ্রমণ স্থান।
ভ্রমণ তথ্য
প্রবেশ টিকেট ও সময়সূচী
- টিকেট মূল্য:
- বাংলাদেশি নাগরিক: ১০০ টাকা।
- ৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা বিনামূল্যে প্রবেশ করতে পারে।
- সার্কভুক্ত দেশগুলোর দর্শনার্থী: ৩০০ টাকা।
- অন্যান্য বিদেশি দর্শনার্থী: ৫০০ টাকা।
- টিকেট কিনতে ভিজিট করুন: bangabandhumilitarymuseum.com/buy-ticket
- সময়সূচী:
- শনি, রবি, সোম, মঙ্গল: সকাল ১০:৩০ – সন্ধ্যা ৬:৩০।
- বৃহস্পতিবার: সকাল ১০:৩০ – সন্ধ্যা ৭:০০।
- শুক্রবার: বিকেল ৩:০০ – সন্ধ্যা ৭:৩০।
- বন্ধ: বুধবার ও সরকারি ছুটির দিন।
যাতায়াত ব্যবস্থা
ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বাস, সিএনজি বা ট্যাক্সি ভাড়া করে সহজেই বিজয় সরণিতে পৌঁছানো যায়। ফার্মগেট, বিজয় সরণি, সংসদ ভবন বা চন্দ্রিমা উদ্যান থেকে রিকশা বা পায়ে হেঁটে আসা যায়। মেট্রোরেলের বিজয় সরণি স্টপেজ থেকেও সহজে পৌঁছানো সম্ভব।
খাবার ব্যবস্থা
জাদুঘর কমপ্লেক্সের ভেতরে নীহারিকা রেস্টুরেন্টে মানসম্মত খাবার পরিবেশন করা হয়। এখানে একটি কফি শপও রয়েছে যেখানে স্ন্যাকস এবং কফি পাওয়া যায়। বাইরে খেতে চাইলে কাজী নজরুল রোড বা সংসদ ভবন এভিনিউর পাশে ভালো মানের রেস্টুরেন্ট পাওয়া যায়।
আশপাশের দর্শনীয় স্থান
সামরিক জাদুঘরে ঘুরে দেখতেই প্রায় ৩ ঘণ্টা সময় লেগে যাবে। সময় থাকলে কাছাকাছি নভোথিয়েটার, চন্দ্রিমা উদ্যান, বিমান বাহিনী জাদুঘর, সংসদ ভবন এলাকা এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরও ঘুরে দেখতে পারেন।
আপনার ভ্রমণকে আরও তথ্যবহুল এবং আকর্ষণীয় করতে ভিজিট করুন visitplan.net।




Your point of view caught my eye and was very interesting. Thanks. I have a question for you.
I really like your blog.. very nice colors & theme. Did you design this website yourself or did you hire someone to do it for you? Plz respond as I’m looking to create my own blog and would like to find out where u got this from. cheers
Hi! I just wanted to ask if you ever have any issues with hackers? My last blog (wordpress) was hacked and I ended up losing months of hard work due to no data backup. Do you have any methods to prevent hackers?