রাঙ্গামাটি ঝুলন্ত ব্রিজ ও কাপ্তাই হ্রদ: পাহাড়, প্রকৃতি ও পর্যটনের মিলনস্থল

রাঙ্গামাটিতে আসা পর্যটকদের মূল আকর্ষণ ঝুলন্ত ব্রীজ। নয়নাভিরাম বহুরঙা এই ঝুলন্ত সেতুটি দুইটি বিচ্ছিন্ন পাহাড়ের মধ্যে গড়ে দিয়েছে হৃদ্দিক সম্পর্ক। সেতুটি পারাপারের সময় সৃষ্ট কাঁপুনি আপনাকে এনে দেবে ভিন্ন দ্যোতনা। এখানে দাঁড়িয়েই কাপ্তাই হ্রদের মনোরম দৃশ্য অবলোকন করতে পারবেন। কাপ্তাই হ্রদের সৌন্দর্যে আপনি মুগ্ধ হতে বাধ্য। ওপারেই রয়েছে আদিবাসী গ্রাম। ইচ্ছে হলেই দেখতে পাবেন আদিবাসী জীবনযাপনের ক্ষয়িষ্ণু চালচিত্র।
কিভাবে যাবেন রাঙ্গামাটি?
আপনি বাংলাদেশের যে প্রান্তেই থাকুন না কেন রাঙামাটিতে আসতে হলে চট্টগ্রামের অক্সিজেন রাঙামাটির বাস টারমিনাল আসতে হবে। এখান থেকে আধা ঘন্টার ব্যবধানে আপনি পাবেন পাহাড়ীকা ও লোকাল বাস সার্ভিস।
লোকাল বাসের ভাড়া ৮৫টাকা এবং পাহাড়ীকা বাসের ভাড়া ১১০ টাকা। পাহাড়ীকা বাসে সময় লাগে আড়াই ঘন্টা এবং লোকাল বাসে ৩-সাড়ে ৩ ঘন্টা।
সকাল ৭টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত পাওয়া যায় বাস। এছাড়া যারা আরামদায়ক ভ্রমন করতে চান তাদের জন্য আছে বিলাস বহুল সার্ভিস এস. আলম, ইউনিক, হানিফ ও বিআরটিসি। এইসকল বাস সার্ভিসের ভাড়া ১০০-১২০ টাকা। সময় লাগবে ২.৩০-৩ ঘন্টা।
এছাড়া ভাড়া করা মাইক্রো, নিজস্ব গাড়ী ক্যাব অথবা কার নিয়েও আপনি আসতে পারেন রাঙামাটি। নিজস্ব গাড়ী নিয়ে আসলে অর্থ এবং সময় দুই’ই সাশ্রয় হবে।
রাঙ্গামাটির কোথায় থাকবেন
রাঙামাটিতে পর্যটকদের থাকার জন্য বেশ কিছু ভালমানের হোটেল আছে। যেমনঃ হোটেল সুফিয়া, নীডস হিল ভিউ, মোটেল জর্জ, হোটেল গ্রীন ক্যাসেল, শাইনিং হিল গেষ্ট হাউজ, টুকটুক ইকো ভিলেজ, হোটেল আনিকা অন্যতম।
এগুলো মোটামুটি ভালো মানের হোটেল। ভাড়া ৫০০টাকা হতে ২০০০টাকা পর্যন্ত। আবার কমদামী কিছু হোটেল ও আছে। যেমনঃ মধুমিতা, সৈকত, শাপলা, ডিগনিটি, সমতা, উল্লেখযোগ্য। এগুলো ভাড়া সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া পর্যটনের রয়েছে নিজস্ব মোটেল। ভাড়া ১২৫০ থেকে ২৫৫০ টাকা পর্যন্ত। রয়েছে ছোট ছোট কটেজও। কটেজগুলোর প্রতি রাতের ভাড়া ৩১০০-৫১০০ টাকা। সরকারি বিভিন্ন দফতরের গেষ্ট হাউস, রেষ্ট হাউস এবং বাংলোগুলো নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করতে হয় এবং যথাযত কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে ভাড়া দেওয়া হয়।
তথ্য ও ছবিঃ( ইন্টারনেট )




Took an artist who were somewhere in this guy clutching for