চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি

অবস্থান:
কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি পরিদর্শন স্থানটি আপনি চট্টগ্রামের দামপাড়া এলাকায়, ১৯ নং বাদশা মিয়া এলাকায় খুজে পাবেন। চট্টগ্রাম বন্দরথেকে ৮ কিমি দূরে এবং চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে ২২ কিমি উত্তরে এটির অবস্থান। ওয়ার সিমেট্রির প্রতিষ্ঠাকালে এই এলাকাটি প্রথম দিকে একটি বিশাল ধানের ক্ষেত ছিল, যদিও বর্তমানে এটি বেশ উন্নত এলাকা এবং শহরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
চট্টগ্রাম মহানগরের বাদশা মিঞা সড়কে (জয়নগর মৌজা) কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি এর অবস্থান। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্ব রণাঙ্গনে নিহত শত সৈনিকদের একটি সমাধিক্ষেত্র। এখানে যুদ্ধে নিহতদের ৭৫৫টির মত কবর আছে। তখনকার চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ ও পূর্বে বিন্যস্ত অশ্বক্ষুরাকৃতি পাহাড়ের পাদদেশে একটি ধানক্ষেত্র স্থলে এ সমাধিক্ষেত্র স্থাপিত হয়েছিল। এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন নামে একটি সংস্থা। যুদ্ধ চলাকালে এখানে চট্টগ্রামে সামরিক প্রশিক্ষণের সুবিধাসহকারে মিত্র শক্তির চতুর্দশ বাহিনীর অগ্রবর্তী শিবির এবং ব্রিটিশ জেনারেল হাসপাতাল নম্বর ১৫২ স্থাপিত হয় বলে যানা যায়।
১৯৪৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৯৪৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত হাসপাতালটি সক্রিয় ছিল বলে জান যায়। প্রাথমিকভাবে এ কবরখানায় ৪০০ জন সৈনিকের আবিষ্কিৃত মৃতদেহ সামরিক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে সমাধিস্থ হয়েছিল।
সমাধিক্ষেত্রের একটি স্থাপনায় রাখা রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ আছে আরও ৬৫০০ জন যুদ্ধে নিহত নাবিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং ১৫টি ডুবে যাওয়া জাহাজের নাম। যুদ্ধ শেষে লুসাই, ঢাকা, খুলনা, যশোর, কক্সবাজার, ধোয়া পালং, দোহাজারি, রাঙ্গামাটি এবং পটিয়ার অস্থায়ী সমাধি থেকে আরও অনেক লাশ নিয়ে আসা হয় এ সিমেট্রিতে। কিভাবে যাওয়া যায়: উক্ত দশর্নীয় স্থানে যাওয়ার জন্য বাস বা অটোরিক্সা ব্যবহার করা যেতে পারে।
তথ্য ও ছবিঃ( ইন্টারনেট )




Your point of view caught my eye and was very interesting. Thanks. I have a question for you.
**mitolyn reviews**
Mitolyn is a carefully developed, plant-based formula created to help support metabolic efficiency and encourage healthy, lasting weight management.